১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সোমবার | বর্ষাকাল | সকাল ৮:৩৮
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
ডাক বিভাগের চরম অবহেলায় চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত যুবক সাজ্জাদ

ডাক বিভাগের চরম অবহেলায় চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত যুবক সাজ্জাদ

কুষ্টিয়ার মুখ ডেক্স :
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মারাত্মক গাফিলতি ও পুরোনো ব্যবস্থার কারণে একটি সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি মোঃ সাজ্জাদ নামে এক যোগ্য প্রার্থী। যশোর সেনানিবাস অর্ডন্যান্স ডিপো কর্তৃক আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র সময়মতো পৌঁছায়নি তার হাতে—যার ফলে ভবিষ্যৎ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারাতে হয়েছে তাকে।

ভুক্তভোগী মোঃ সাজ্জাদ জানান, তার প্রবেশপত্রটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রেরণ করা হয়, নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। বিস্ময়কর ও দুঃখজনক হলেও সত্য, পরীক্ষার প্রায় দুই মাস পর, অর্থাৎ ০৭ই জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮টায় পুরাতন আজমপুর পোস্ট অফিস থেকে প্রবেশপত্রটি তার হাতে পৌঁছানো হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন প্রার্থী হিসেবে সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র ডাক বিভাগের দায়িত্বহীনতা ও চরম অব্যবস্থাপনার কারণে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এর ফলে একটি সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে—যার ক্ষতিপূরণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
মোঃ সাজ্জাদ প্রশ্ন তুলেছেন—
এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে?
এটি কি সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, নাকি ডাক বিভাগের সেকেলে ও অকার্যকর ডেলিভারি সিস্টেমের ফল?
তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখনো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ সময়মতো পৌঁছাতে না পারা চরম লজ্জাজনক। এই অব্যবস্থাপনা শুধু একজন প্রার্থীর জীবন নয়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
ভুক্তভোগী অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দোষীদের চিহ্নিত করা, জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো যোগ্য প্রার্থী এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন—সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024