কুষ্টিয়ার মুখ ডেক্স :
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মারাত্মক গাফিলতি ও পুরোনো ব্যবস্থার কারণে একটি সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি মোঃ সাজ্জাদ নামে এক যোগ্য প্রার্থী। যশোর সেনানিবাস অর্ডন্যান্স ডিপো কর্তৃক আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র সময়মতো পৌঁছায়নি তার হাতে—যার ফলে ভবিষ্যৎ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারাতে হয়েছে তাকে।
ভুক্তভোগী মোঃ সাজ্জাদ জানান, তার প্রবেশপত্রটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রেরণ করা হয়, নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। বিস্ময়কর ও দুঃখজনক হলেও সত্য, পরীক্ষার প্রায় দুই মাস পর, অর্থাৎ ০৭ই জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮টায় পুরাতন আজমপুর পোস্ট অফিস থেকে প্রবেশপত্রটি তার হাতে পৌঁছানো হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন প্রার্থী হিসেবে সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র ডাক বিভাগের দায়িত্বহীনতা ও চরম অব্যবস্থাপনার কারণে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এর ফলে একটি সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে—যার ক্ষতিপূরণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
মোঃ সাজ্জাদ প্রশ্ন তুলেছেন—
এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে?
এটি কি সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, নাকি ডাক বিভাগের সেকেলে ও অকার্যকর ডেলিভারি সিস্টেমের ফল?
তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখনো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ সময়মতো পৌঁছাতে না পারা চরম লজ্জাজনক। এই অব্যবস্থাপনা শুধু একজন প্রার্থীর জীবন নয়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
ভুক্তভোগী অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দোষীদের চিহ্নিত করা, জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো যোগ্য প্রার্থী এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন—সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।